কবিতার মাঝে আজ বলে যাই, যদিও আমি নই কবি,
তবুও লিখছি মনের কথা, সমাজের প্রতিচ্ছবি।
.
যেদিকে তাকাই প্রখর উত্তাপ, মরুঝড়, ধূ ধূ প্রান্তর;
ধোঁয়ায় ঝরছে চোখের অশ্রু, আগুনের ফুসমন্তর।
গগণ ফাটানো চিৎকার শুনি, অশ্রুজলে সিক্ত,
সমাজটা আজ অন্ধকারে, গলদ কথায় বল তো?
.
মানুষ তো তারা মারছে না! পচা ডোবার সব মশা-মাছি,
বিক্রি করেছে মনুষত্ব, ভোগ বিলাসের দর-কষি।
শিশু কণ্ঠের আহাজারি শুনে, মায়েদের মুখে নেই হাসি;
কোথায় মুক্তি? শান্তি-সাম্য? হয়েছে সেগুলো বানভাসি।
.
কোথা রসুল আজ, কোথা কৃষ্ণ? কোথা বুদ্ধ, ঈসা-মসীহ?
শিক্ষা তোমাদের ভুলেছে মানুষ, দাজ্জালেরই দাস-দাসী।
পিশাচ যারা, তারা অমানুষ, নিরো সেজে সব ফুঁকে বাঁশি।
তাই সব ভুলে হয়েছে যে সুর, অসুর ধর্মে বিশ্বাসী।
.
ধর্ম যে আজ পণ্য হয়েছে, ব্যবসা চলছে বেশ,
বাধা দিলে করে দাঁত কিড়মিড়, "ব্যাটা, আজ তুই শেষ!"
করছে বিক্রি দিচ্ছে ডিক্রি, ভোজবাজি আর গালাগাল।
মোল্লা পুরুত মানুষ ঠকিয়ে, পকেট করছে মালামাল।
.
তাইতো পূবের সূর্য দেখো দিচ্ছে উঁকি ঐ আকাশে,
রণ তূর্য বাজছে শুনো, গর্জন শোন ঐ বাতাসে।
ধর্মের ধ্বজা হাতে কান্ডারী, বিপ্লবী উঁচু শির,
দেখো- অশান্তি আর রক্তপাতের মস্তকে হানে বীর।
.
পরিশেষে তবে বলে যাই শুধু, বিজয় সন্নিকটে।
হুশিয়ার যদি না হও এখনো, তবে দুর্গতি বটে।

