সোমবার, ২৬ মার্চ, ২০১৮

আমার কবিতা

কবিতার মাঝে আজ বলে যাই, যদিও আমি নই কবি,
তবুও লিখছি মনের কথা, সমাজের প্রতিচ্ছবি। 
.
যেদিকে তাকাই প্রখর উত্তাপ, মরুঝড়, ধূ ধূ প্রান্তর;
ধোঁয়ায় ঝরছে চোখের অশ্রু, আগুনের ফুসমন্তর।
গগণ ফাটানো চিৎকার শুনি, অশ্রুজলে সিক্ত,
সমাজটা আজ অন্ধকারে, গলদ কথায় বল তো?
.
মানুষ তো তারা মারছে না! পচা ডোবার সব মশা-মাছি,
বিক্রি করেছে মনুষত্ব, ভোগ বিলাসের দর-কষি।
শিশু কণ্ঠের আহাজারি শুনে, মায়েদের মুখে নেই হাসি;
কোথায় মুক্তি? শান্তি-সাম্য? হয়েছে সেগুলো বানভাসি।
.
কোথা রসুল আজ, কোথা কৃষ্ণ? কোথা বুদ্ধ, ঈসা-মসীহ?
শিক্ষা তোমাদের ভুলেছে মানুষ, দাজ্জালেরই দাস-দাসী।
পিশাচ যারা, তারা অমানুষ, নিরো সেজে সব ফুঁকে বাঁশি।
তাই সব ভুলে হয়েছে যে সুর, অসুর ধর্মে বিশ্বাসী।
.
ধর্ম যে আজ পণ্য হয়েছে, ব্যবসা চলছে বেশ,
বাধা দিলে করে দাঁত কিড়মিড়, "ব্যাটা, আজ তুই শেষ!"
করছে বিক্রি দিচ্ছে ডিক্রি, ভোজবাজি আর গালাগাল।
মোল্লা পুরুত মানুষ ঠকিয়ে, পকেট করছে মালামাল।
.
তাইতো পূবের সূর্য দেখো দিচ্ছে উঁকি ঐ আকাশে,
রণ তূর্য বাজছে শুনো, গর্জন শোন ঐ বাতাসে।
ধর্মের ধ্বজা হাতে কান্ডারী, বিপ্লবী উঁচু শির,
দেখো- অশান্তি আর রক্তপাতের মস্তকে হানে বীর।
.
পরিশেষে তবে বলে যাই শুধু, বিজয় সন্নিকটে।
হুশিয়ার যদি না হও এখনো, তবে দুর্গতি বটে।

বুধবার, ২১ মার্চ, ২০১৮

কখন আল্লাহ আমাদের অভিভাবক হবেন?


সম্প্রতি পত্রিকায় এসেছে যে আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বী ইরান যদি পারমাণবিক বোমা বানানোর সক্ষমতা অর্জন করে তবে সৌদি আরবও পিছিয়ে থাকবে না। মন্তব্যটি সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের। ২০১৫ সালে ছয় বিশ্ব শক্তির সাথে চুক্তির সূত্র ধরে পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করে আনার ঘোষণা দিয়েছিল ইরান; যাকে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সফলতা হিসেবে দেখেছেন পর্যবেক্ষকরা। মধ্যপ্রাচ্যে একমাত্র ইসরাইলকেই পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশ হিসেবে দেখা হলেও বিষয়ে কখনই মুখ খোলেনি দেশটি।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র্রসহ আরো যে সকল পশ্চিমা দেশ রয়েছে তাদের প্রত্যেকেরই সামরিক শক্তি বৃদ্ধিতে কোন বাঁধা নেই। তারা প্রতিনিয়ত তাদের সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করে চলছে। মধ্যপ্রাচ্যে যে সকল মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ রয়েছে সে দেশগুলো থেকে ১৯৮৮ সাল থেকেই পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তাররোধ-বিরোধী চুক্তিতে সাক্ষর নিয়ে রাখা হয়। এর ফলে পূর্বে যারা পারমাণবিক প্রকল্প তৈরি করেছে শুধু তারাই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করার বৈধতা পায় পরবর্তীতে কারো সামর্থ্য থাকলেও তাকে আর পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করার অনুমতি প্রদান করা হয় না।

পাশ্চাত্যের পরাশক্তিধর দেশগুলো তাদের ইচ্ছামত নিজেদের সামরিক শক্তিকে বৃদ্ধি করে চলছে কিন্তু দুর্বলতর দেশগুলোর উপর বিভিন্ন ধরনের আইন আরোপ করছে। মধ্যপ্রাচ্যের কথাই চিন্তা করা যাক। সৌদি আরব, ইরাক এরা কখনই পারমাণবিক বোমা তৈরি করতে পারে নি কারণ পূর্বেই তাদের সাথে চুক্তি সাক্ষর করা হয়। ইরানের পারমাণবিক বোমা বানানোর ব্যবস্থা থাকলেও পাশ্চাত্যের চাপের ফলে তারা এতদিন বিষয়ে নিশ্চুপ ছিল কিন্তু বর্তমান সময়ে এসে তারা বিষয়ে চিন্ত-ভাবনা করছে। পারমাণবিক বোমা কিন্তু এরই মধ্যে ব্রিটেন, আমেরিকা, রাশিয়া পারমাণবিক শক্তিধর হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে। তাদের হাত ধরে মধ্যপ্রাচ্যে ইসরাইলও পারমাণবিক শক্তি সঞ্চয় করেছে। তারা যতই সমান, সমঅধিকার পারস্পরিক সমঝোতার মাধ্যমে পৃথিবী পরিচালনার কথা বলুক না কেন মূলত তারাজোর যার মুল্লুক তার’ (Might is Right) এই নীতিতেই রয়েছে। জর্জ আরওয়েল বলেছিলেন, সব পশুই সমান, তবে কিছু কিছু পশু সমানের চাইতেও বেশি সমান। কথার সূত্র ধরে বলা যায়, পৃথিবীর সকল দেশ নীতিগতভাবে সমান হলেও পশ্চিমা পরাশক্তিধর দেশগুলো অন্যান্যদের তুলনাই বেশি সমান।

মুসলমানদের মধ্যে শিয়া সুন্নীর বিরোধ এমন পর্যায়ে দাঁড়িয়েছে যে মনে হতে পারে দুটো আলাদা ধর্ম। এই ফেরকাগত বিরোধিতার সূত্র ধরে শত শত বছর ধরে মধ্যপ্রাচ্যে জ্বলছে আগুন। এই সুযোগে পশ্চিমারা অস্ত্রব্যবসা করে নিচ্ছে যে যতটুকু পারছে। প্রতিপক্ষ ইরানের পরমাণু কর্মসূচির অসিলা ধরে সৌদি আরবও যদি পরমাণু কর্মসূচি নেয় তাহলে সেই যুদ্ধ আরো ভয়াবহ রূপ নেবে। আর এখানে পশ্চিমারা বরাবরের মতোই ইন্ধন যুগিয়ে যাবে।

পাকিস্তানকে অভ্যন্তরীণভাবে অস্থিতিশীল করে রেখেছে ভারত চীন। বাংলাদেশকে নিয়েও চলছে আঞ্চলিক পশ্চিমা ষড়যন্ত্র। রীতিমত পুরো বিশ্ব এখন মুসলমানদের বিরুদ্ধে এক হয়ে তাদেরকে ধ্বংস করার চেষ্টা করছে। মুসলমানরা এই কথা বুঝতেও পারছে না, উল্টো নিজেরাই নিজেদের সাথে লড়াইয়ে অবতীর্ণ হচ্ছে আর নিজেদের প্রভুদের খুশি করে পশ্চিমা আগ্রাসনের হাত থেকে বেঁচে থাকতে চাচ্ছে। পশ্চিমা পরাশক্তিধর দেশগুলো সব সময়ই নিজেদের প্রভুত্ব অক্ষুন্ন রাখবে। এজন্য তারা তাদের সামরিক শক্তিকে ব্যবহার করবেই। কিছুদিন আগেই রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন যে, “তার দেশ পৃথিবীতে না থাকলে পৃথিবী নামক গ্রহ থাকার প্রয়োজন নেই।

আমাদের দেশ যদি সংকটাপন্ন হয় তখন কোনো পরাশক্তিধর রাষ্ট্রই আমাদের সঙ্গে থাকবে না, কারণ আমরা মুসলিমপ্রধান দেশ। আমাদের তাই এখন একটাই আশ্রয়- আমাদের মহান স্রষ্টা আল্লাহ রাব্বুল আলামিন। তিনি বলেছেন যে তিনি মোমেনদের ওয়ালি, অভিভাবক। তিনি মোমেনদের রক্ষাকর্তা। আমাদেরকে তাই এখন বাঁচতে হলে মোমেন হতে হবে। তাহলে আমাদের নেতা হবে একজন, সিদ্ধান্ত হবে একটি। আমরা হবো এক জাতি। আমদের লক্ষ্য উদ্দেশ্য হবে একটি। ঐক্যের চেয়ে বড় কোনো শক্তি নেই। একদিকে আল্লাহর অভিভাবকত্ব, আরেকদিকে আমাদের ঐক্যের শক্তি- এই দুটো মিলিয়ে আমরাই হবো একটি পরাশক্তিধর জাতি।
No automatic alt text available.


মঙ্গলবার, ২০ মার্চ, ২০১৮

সাম্রাজ্রবাদীদের ছোবল থেকে রক্ষার উপায়

বর্তমানের আমাদের নিজেদের অবস্থা নিয়ে আমাদের সচেতন হতে হবে। পাশ্চাত্য পরাশক্তিরা ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন অর্থ ব্যায় করছে তাদের সামরিক খাতের উন্নতির জন্য। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এ বছর ৮৮৬ বিলিয়ন অর্থ সামরিক খাতে ব্যায় করেছে। চীন নিজেদের সামরিক বাজেট ৮.৬% বৃদ্ধি করেছে। একইভাবে উত্তর কোরিয়া, রাশিয়া ইত্যাদি দেশ তাদের সামরিক শক্তিকে বৃদ্ধি করার জন্য তাদের সর্বাত্মক সম্পদকে এই খাতে ব্যায় করছে। কথা হচ্ছে এই যে প্রতিটি পরাশক্তি তাদের সামরিক শক্তিকে দিনদিন বৃদ্ধি করেই চলছে এর পিছনে কারণ কী? তারা কী এই শক্তি জমা করে রাখবে?

অবশ্যই নয়। এই শক্তির যথাযথ ব্যবহার তারা অবশ্যই করবে। যদি বর্তমান পৃথিবীর দিকে আমরা দৃষ্টিপাত করি তবে দেখতে পাব যে পুরো পৃথিবী আজ দাবানলের মত জ্বলছে। কয়েকদিন আগেও উত্তর কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কয়েক দফা উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়েছে। পুরো বিশ্ব জুড়ে চলছে সাম্রাজ্যবাদীদের তাণ্ডব ও শক্তিমত্তার মহড়া। মধ্যে দিয়ে আমরা মুসলিমরা সবচেয়ে অধিক নিপীড়িনের শিকার হচ্ছি। আমরা হচ্ছি লাঞ্ছিত, অপমানিত, নিগৃহীত। সকল সাম্রাজ্যবাদী শক্তিদের প্রথম নিশানায় রয়েছে মুসলিম জাতি কারণ এ জাতির কোন অভিভাবক নেই। এ জাতি আজ ফুটবলের মত হয়ে গিয়েছে, যেদিকেই যাচ্ছে সেদিক থেকেই লাথি দেয়া হচ্ছে।

সাম্রাজ্যবাদীদের এ আগ্রাসনের ফলে একের পর এক মুসলিম দেশ আজ ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। সিরিয়া, ইরাক ইত্যাদি দেশ আজ বসবাসের অনুপযোগী। লিবিয়ায় আজ দুর্ভিক্ষ। ভুললে চলবে না এই একই পরিস্থিতি আমাদের জন্মভূমির সাথেও হতে পারে। আমাদের প্রিয় জন্মভূমি বাংলাদেশ, যে মাটিতে আমরা সিজদাহ করি, নব্বই শতাংশ মুসলিমের দেশ। তাই তাদের অন্যতম নিশানা হিসেবে আমরাও সূচীতে রয়েছি। তাই আমাদের এখনই এর থেকে পরিত্রাণের একটি উপায় খুঁজতে হবে।
এই সাম্রাজ্যবাদীদের তা-ব থেকে, বর্তমান অবস্থায় থেকে, দেশকে রক্ষা করা সম্ভব হবে না। আন্তর্কলহ, রাজনৈতিক রেষারেষী ইত্যাদির কারণে আমাদের অভ্যন্তরীণ অবস্থা শোচনীয় পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে। তাই এখন এই সাম্রাজ্যাবাদী তা-ব থেকে দেশকে ও দেশের মানুষকে রক্ষা করতে হলে আমাদের একটি সঠিক আদর্শের ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ করতে হবে। সঠিক আদর্শের ভিত্তিতে যদি আমরা ঐক্যবদ্ধ না হই তবে আমরা এই দাজ্জালীয় সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসন থেকে নিজেদের দেশকে ও দেশের জনগণকে রক্ষা করতে সমর্থ হব না। সেই সঠিক আদর্শের কথাই আমরা হেযবুত তওহীদ প্রচার করে যাচ্ছি।

আমাদের এখন তওহীদের, আল্লাহ ছাড়া আর কারো হুকুম মানি না, ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। এই একটি সূত্রই আমাদের সকলকে একত্রে ঐক্যবদ্ধ রাখবে। আমরা যে বর্ণের হই না কেন, যে ধর্মের হই না কেন সকলেই আমরা এক স্রষ্টায় বিশ্বাসী। তাই আমদের সকলের ঐক্যের মূলমন্ত্রই হবে যে আমরা এক স্রষ্টা হুকুম অনুযায়ী নিজেদের সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, পারিবারিক এক কথায় সকল বিষয় পরিচালনা করব। যদি আমরা এই একটি কথার উপর ঐক্যবদ্ধ হতে পারি তখন আমরা হব এক জাতি, আমাদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হবে একটি, আমাদের নেতা হবে একজন যিনি হবেন ন্যায়বান ও যিনি সর্বদা দেশ ও জাতির হিতে চিন্তা করবেন ও আমাদের লক্ষ্য অর্জনে সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত করবেন।

একটি তসবিহর কথাই চিন্তা করুন। তসবিহর দানাগুলো আলাদা আলাদা থাকে। কিন্তু এই দানাগুলোকে একসাথে জোড়া দেয়া হয় একটি সুতোর মাধ্যমে। এই সুতোই হল তওহীদ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আল্লাহ ছাড়া কারো হুকুম মানব না। এই সুতো দিয়েই পুরো জাতিকে একসূত্রে বাঁধতে হবে। আল্লাহর রসুল এই তওহীদের সুতোর মাধ্যমেই আরবের পশ্চাৎপদ, বিভিন্ন গোত্রে বিভক্ত জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন। কিন্তু সেই ঐক্যবদ্ধ জাতি আজ নেই। ইবলিস তওহীদের এই সুতো কেটে দিয়েছে। ফলে আমরা হয়ে বিভক্ত হয়ে পড়েছি। টুকরো টুকরো হয়ে যাওয়ার ফলেই আজ মুসলিমদের উপর যে যেভাবে পারছে ধ্বংসলীলা চালাচ্ছে।

অতএব আমাদের এ জন্মভূমিকে বাঁচাতে হলে আমাদের এখন একমাত্র করণীয় হচ্ছে তওহীদের ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ হওয়া। ঐক্যবদ্ধ হতে পারলেই আমরা আমাদের দেশকে বাঁচতে পারব। সাম্রাজ্যবাদীদের ছোবল থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য এছাড়া আর কোন উপায় নেই।


রবিবার, ১১ মার্চ, ২০১৮

বাবা

মন বসে না যখন আর কিছুতে সময়ের চাকা যখন আর ঘুরে না টেবিলে বসে বসে ভাবি একলা মনের ব্যাথার কথা কেউ জানে না। . গল্পের আসরে বসে বলতো বাবা সাইকেল ধরাটা তুই আজ শিখে নে রবো না যখন আমি আশে পাশে তোর মাতবি তুই সাইকেল আর গল্প নিয়ে। . চারদিকে তাকালে দেখতাম যখন বাবা-মা-পরিবার হাসি মাখা মন চোখের জলের সাথে আসত দোয়া বাবা-মা কে এক করে দাও আল্লাহ। . মা এর সাথে আজ একা আমি বাবার কথা যখন মনেতে আনি কেন আজ এখানে ভেবে বেড়াই মায়ের চোখের জল মনকে তাড়ায়। . বুঝি বাবা তুমি আছ আঁধারে ডুবে সত্যকে ছেড়ে আছ তাগুত তরে মায়ের চলে আসা বুঝি যে এখন আজ আমি সত্যে তুমি আঁধার ঘরে। . বাবা আজ মায়ের সাথে সত্যে আমি মা এর সঙ্গী আজি মায়ের খুকি ওয়াদা রইল ত্যাগ যাবে না বৃথা শিক্ত রবে না কভু ঐ দুই আঁখি। . মিশিয়ে চোখের পানি মনের কোণায় রং-তুলি-কাঁচি নিয়ে ছেলেবেলায় বসে বসে জানি না কিভাবে যে হায় মিলাতাম দুজনাকে এক আঙিনায়। . বাবা শুনো একদিন আমি বড় হব মায়ের ঠোঁটেতে আমি হাসি ফোটাব সত্যের পথে হব নিবেদিত প্রাণ বাবা তুমি সত্যে এসো, এসো একবার। তোমার তরে এই আমার আবদার।

সময় কাটে

সময় কাটে  ঘড়ির কাটার সাথে, যখন হয়না কথা জমে নীরবতা।  দূর বহুদূরের পথ,  তোমার আমার হোক শপথ, একসাথে খুঁজব সব গলি। আকাশের কোটি তারা, নিজ পথে...