সোমবার, ১৯ আগস্ট, ২০১৯

স্রষ্টা


আজ মানবতা শুধু কলমের লেখায়, মানবতা আজ বক্তব্যের মাঝে। আজ মানবতার ব্যবহার নেই। মানবতার চলন নেই। এত অন্যায়, এত অরাজকতা, এত ধর্ষণ, এত নিষ্ঠুরতা। কোথায় ধর্ম? মানবতাধারী মানুষ কোথায়? মনুষ্যধর্মের পালন কোথায়? মসজিদ মন্দির, গীর্জায় মানুষ আছে, ধর্ম নেই। কোথায় আজ স্রষ্টা? তিনি কী দেখেন না? কোথায় আজ ধর্ম? নামাজ রোজা, পুজা-অর্চনা, বাইবেল পাঠ- এগুলো ধর্ম? এগুলোতে মুক্তি? কোথায় মুক্তি? কোথায়?


“কোথায় স্রষ্টা? কোথায়?

তিনি কী মসজিদে, মন্দিরে, গীর্জায়? তবে, দেখা যায় না কেনো?”
আমিতো রোজ স্রষ্টাকে দেখি।
“কীভাবে পেলে দেখা? পথ বলে দাও.... আত্মা দিয়ে দেখব পরমাত্মাকে।”

শোন- নামাজ পড়েছি, রোজা রেখেছি, মন্দিরে-মসজিদে-গীর্জায় ঘুরে বেড়িয়েছি, 
তাঁকে পাইনি;
হৃদয়ের সবটুকু চাওয়া একত্রে করে অশ্রুশিক্ত হয়ে বলেছি- দেখা দাও, সান্নিধ্যে নাও।
হায়, ছিল না! মসজিদ-মন্দির-গীর্জায় ছিল না ঈশ্বর, ছিল না স্রষ্টা। 
“এরপর? এরপর কী করলে?”

অন্তরের দৃষ্টিকে সম্প্রসারিত করে একমনে জপেছি স্রষ্টাকে,
শুনেছি বহু ঋষি মুণি পেয়েছে নাকি এভাবে- রাত কাটিয়েছি
নির্ঘুম; বহুরাত। ঘুরেছি পথে পথে, হাটে-বাজারে, গ্রামে-শহরে
ওয়াজ-মাহফিলে, পুজার মণ্ডপে। তসবির প্রতিটি দানায় দানায়,
রূদ্রাক্ষের প্রতিটি বীজে টিপে টিপে খুঁজেছি। কিন্তু...
“কিন্তু কী?”
তমসায় আচ্ছন্ন নিরাশা ছাড়া কিছুই লাভ হয়নি। 

রমজানে ক্ষুধা তেষ্টায় কাতরাতে কাতরাতে ঝাঁপসা নয়নে খুঁজেছি, 
লাইলাতুল কদরে ডুকরে কেঁদেছি; লক্ষ্মীবারে উপবাস থেকেছি।
শিবসেনা হয়ে বিধর্মীদের উপর চড়াও হতে চেয়েছি, মাওলানার মুখের 
তেজোদীপ্ত কণ্ঠের ‘আল্লাহু আকবার’ শুনে কাফেরদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়তে প্রস্তুত হয়েছি-
শুধু স্রষ্টাকে পাব বলে।

“তাহলে পেয়েছিলে?” না! স্রষ্টা যে সৃষ্টিতে সে গূঢ় সত্য উপলব্ধি হয়েছে।
স্রষ্টা রয়েছে প্রকৃতিতে, স্রষ্টা রয়েছে গাছপালায়, নদীনালায়, পাহাড়ে-পর্বতে;
ঈশ্বর, আল্লাহ রয়েছে আকাশে, রয়েছে বাতাসে, গ্রহ-নক্ষত্রে।
“আর?”
পীচঢালা রাজপথে, অলি-গলির পচা ডোবায়, খালে-বিলে-ঝিলে।
আরো শুনবে? পথশিশুর অশ্রুতে অনুতে-পরমাণুতে,
অত্যাচারী শাসকের নির্মমতায়, গণতন্ত্রের নামে স্বৈরাচারে। 
সমাজতন্ত্রের সীমাবদ্ধতায়, ফ্যাসিবাদের ফ্যাসিজমে।
স্রষ্টা ছিলেন সেই শিশুতে-
যে শিশুর পিতা শিশুর মুখে খাবার দিতে না পেরে আত্মহত্যা করেছিল;
স্রষ্টা ছিলেন আইলানে-
যে আইলান ভূ-রাজনীতির খেলায় সাগরে প্রাণ দিয়েছিল।
স্রষ্টা ছিলেন রাকিব-রাজন-নুসরাতে,
যাদের আত্মচিৎকার এখনও আমার কানে বাজে। 

হায়রে স্রষ্টা, হায়রে ঈশ্বর,
তিনি ছিলেন সেই সিরিয়ান মায়েদের স্পর্ধায় যারা চালের জন্য সন্তান বিকিয়েছিল,
সেই মায়ের ধৃষ্ঠতায়, যে পরকীয়ার যেরে নিজ সন্তানকে বিষ দিয়েছিল,
ঐ যে, ঐ যে দেখো! ফেলানীর ঝুলে থাকা দেহের প্রতিটি রক্তের ফোঁটায় ফোঁটায় স্রষ্টা। 
দেখনি? এই শৃঙ্খলে আবদ্ধ মানবতাই যে- স্রষ্টা। 
সেই স্রষ্টা আজ বন্দী, মানুষ আজ বন্দী। 
স্রষ্টার মুক্তি, স্রষ্টার তুষ্টি, মানুষের মুক্তিতে, মানবতার জয়ধ্বনীতে।

বৃহস্পতিবার, ১ আগস্ট, ২০১৯

We are ONE!

Listen up people, O' mankind
Why do unjust, chaos and fight?
Don't forget to form the rights.
We are One, though black and white.
.
We have one earth one mom-dad
We have one God who creates whole land
We have one life so should have one aim
To live here happily without all pain.
.
Don't close eyes by seeing wrong things
You also could be the next victim.
Hands on fist and be as a team
United all stand divided all lean.

শনিবার, ১১ মে, ২০১৯

মনের কথা

অনেক কথাই জমা থেকে যায় বলতে পারিনি হায়
কথায় কথায় অনেক কিছু বলে দিতে মন চায়।
তবুও হঠাৎ শঙ্কা জাগে
হৃদয় মাঝে ডঙ্কা বাজে
মন খুলে কেউ কেনো দেখেনা? ঝড় যে বয়ে যায়;
পুষ্পচোরের অনেক কথাই জমা পড়ে থাকে হায়।

#মেমসাহেব

অপপ্রচারের জবাব (এমামুযযামান কী সত্যিই নিজেকে নবী বা রসুল দাবি করেছেন?)


আমি কিছুদিন আগে হেযবুত তওহীদের প্রতিষ্ঠাতা এমাম মহামান্য এমামুযযামান জনাব মোহাম্মদ বায়াজীদ খান পন্নী ও তাঁর পারিবারিক ঐতিহ্য তুলে ধরে একটি ডকুমেন্টারী তৈরি করি যেখানে আমাকে ও ডকুমেন্টারিটি নিয়ে বিভিন্ন ধরনের মন্তব্য করা হয়। সেগুলোর মধ্যে দুুটি প্রশ্ন অনেকেই করেছেন। প্রথমটি হচ্ছে, যদি তিনি এত উচ্চবংশীয় হন, জ্ঞানী হন, শিক্ষিত হন তবে তিনি কীভাবে নিজেকে নবী হিসেবে দাবি করলেন? দ্বিতীয়টি হচ্ছে, তিনি কেনো বললেন যে অনেক নবী রসুলগণ ব্যর্থ হয়েছেন? এই দুটি প্রশ্নের উত্তর দেয়ার জন্যই আমার আজকের এই ভিডিও। এমামুযযামান কখনোই নিজেকে নবী হিসেবে দাবী করেননি। কারণ দাবি করলে তিনি বলতেন বা তাঁর লিখিত বই পুস্তকে লেখা থাকত যে তিনি নিজেকে নবী বলছেন কিন্তু এ ধরনের কোনো প্রমাণ কেউ দেখাতে পারবে না। উল্টো তাঁর লেখা প্রতিটি বইয়ে অসংখ্যবার তিনি বলেছেন হযরত মুহাম্মদ (স.) আখেরী নবী, শেষ নবী। তাহলে কীভাবে এক শ্রেণীর অপপ্রচারকারীরা তাঁর নামে এ ধরনের মিথ্যচার চালায়? দ্বিতীয়ত তিনি যে বলেছেন অনেক নবী রসুলগণ ব্যর্থ হয়েছেন এ কথাটি অবশ্যই সত্য কারণ কোর’আনে ও হাদিসে এর অনেক উদাহারণ রয়েছে। যেমন ঈসা (আ.) তওহীদ প্রতিষ্ঠা করতে পারেননি এই ঘটনা সবাই জানেন। এমামুযযামান পূর্ববর্তী অনেক নবী রসুলের এই ব্যর্থতার বিষয়টিই বলেছিলেন, তিনি শেষ রসুল (স.) দীন প্রতিষ্ঠায় ব্যর্থ হয়েছেন এমন কোনো কথাই বলেননি। কারণ শেষ রসুল দীন প্রতিষ্ঠায় ব্যার্থ হননি, যদি হতেন তবে আমরা আজ ইসলামের আলোয় নিজেদের আলোকিত করতে পারতাম না। সবাই আমার বক্তব্যটি শুনবেন তাহলেই এ দুটি প্রশ্নের বিস্তারিত উত্তর পেয়ে যাবেন। ধন্যবাদ। I, Mustafiz Shihab, made a documentary of Emamujjaman and his family traditions. After publishing that documentary at Social media many spectators delivered plenty of comments. Among those comments two are the most repeated questions. “If he is so noble, wise and educated then how did he claim himself as a Nabi or messenger?” “Why he said that many Nabi and messengers have failed? So for giving answers of these two questions I made today’s video. Emamujjaman never claimed himself as a Nabi or messenger while he said that he is a humble desiple, Ummat of last prophet Muhammad (Sm.). If he claimed himself as a Nabi or messenger he would say that in his speeches and write down that in his writing. However, no one can show a single word or a single line where he claim himself as a Nabi.

শুক্রবার, ২৬ এপ্রিল, ২০১৯

লুকোচুরি

ছোট্ট একটি উপহার মেমসাহেবের জন্য। জন্মদিনে শুভেচ্ছা হিসেবে মেমসাহেবকে উদ্দেশ্য করে এই কবিতাটি লিখি।  

ফুলের মাঝে মৌ দেখেছ?
ছবির মাছে রঙ?
আমার চোখের তারায় নাচে
তোমার সকল ঢং।

তোমার হাসি মন কেড়েছে
হৃদয় মাঝে সুর তুলেছে
বেনামে আজ তোমায় নিয়ে, পদ্য লিখি তাই।
প্রাণ ছুটে যায় তোমার কাছে
ক্লাসের ফাঁকে মাঝে-সাঝে
আসল কথা বলতে গিয়েও, কেবল ভুলে যাই।

খেলছ কী লুকোচুরি?
ঠিক আছে, বেশ।
দূরে থাকাটাই ভালো
কাছে এলে শেষ।

সূর্যমুখী তুমি
আমি প্রভাকর।
ব্যবধান আছে তবু
প্রেম অবিরল।


বৃহস্পতিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯

সমর সংগীত

হাতে রাখো হাত
পূর্বে রাঙাপ্রভাত
নতুন দিনের বার্তা নিয়ে
বলছে সুপ্রভাত।
.
ওঠো, হে জোয়ান
হও যে আগুয়ান
ন্যায় প্রতিষ্ঠায় দাও বলিদান
গাও সত্যের গান।
.
অগ্নি ঝরাও আজ
পরে যুদ্ধের সাজ
ছুটে এসো ফেলে সব মতভেদ
পর বিজয়ীর তাজ।
.
শোনো হে পথিক,
হয়ে ওঠো নির্ভিক
বিজয় মশাল ধারণ করে
ছোটো দিগ্বিদিক।
.
কাটছে আঁধার রাত
পূর্বে রাঙাপ্রভাত
জোর কদমে চলব সমরে
হাতে রেখে হাত।

সময় কাটে

সময় কাটে  ঘড়ির কাটার সাথে, যখন হয়না কথা জমে নীরবতা।  দূর বহুদূরের পথ,  তোমার আমার হোক শপথ, একসাথে খুঁজব সব গলি। আকাশের কোটি তারা, নিজ পথে...